মেনু নির্বাচন করুন
পাতা

ইনোভেশন এর তালিকা

 

ক্রমিক  নম্বর

ইনোভেশনের নাম

উদ্ভাবকের নাম

ইনোভেশনের বর্ণনা

ইনোভেশনের সুবিধা

ইনোভেশনের অসুবিধা

০১.

ভূমি মালিকদের এস এম এস এর মাধ্যমে ভূমি উন্নয়ন করের দাবী অবহিতকরণ

জনাব মো. হামিদুল হক

জেলা প্রশাসক, ঝালকাঠি

 

এ জেলার সকল ভূমি মালিকগণ ও সরকারি/বেসরকারি সংস্থার প্রধানগণকে তাদের চলতি অর্থ বছরে কত টাকা ভূমি উন্নয়ন কর নির্ধারণ করা হয়েছে তা তাদের মোবাইলে এস এম এস এর মাধ্যমে জানিয়ে দেওয়া হয়। এর ফলে তারা তাদের নির্ধারিত ভূমি উন্নয়ন করের দাবী জেনে পরিশোধ করতে পারেন। এতে ভূমি উন্নয়ন করের দাবী বিষয়ে মালিকগণের ভূমি অফিসের ভুল বোঝাবুঝির অবসান হয় এবং দুর্নীতি কমে যায়।

১। সরকারি বেসরকারি ভূমির মালিকগণ বছরের শুরম্নতে ভূমি উন্নয়ন করের দাবীর পরিমাণ অনুষ্ঠানিকভাবে জানতে পারেন।

২। ভূমি উন্নয়ন কর পরিশোধের প্রস্ত্ততি নিতে পারেন।

৩। ইউনিয়ন/ পৌর ভূমি অফিসের ভূমি উন্নয়ন করের দাবী বিষয়ে জন সাধারণের ভুল বুঝাবুঝির অবসান হয়।

ভূমি মালিকগণ ও সরকারি/ বেসরকারি সংস্থার প্রধানগণকে এস এম এস প্রেরণের জন্য সরকারিভাবে কোন বরাদ্দ না থাকায় ভূমি সহকারী কর্মকর্তাগণ তাদের নিজস্ব অর্থের মাধ্যমে এসএমএস প্রেরণ করে থাকেন।

০২.

ইলেকট্রনিক পদ্ধতিতে সভার নোটিশ জারীকরণ 

জনাব মো. হামিদুল হক

জেলা প্রশাসক, ঝালকাঠি 

জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে প্রতিমাসে কমপক্ষে ৪০টির মতো সভা করার প্রয়োজন হয়। সভার সদস্যগণের নিকট অফিসের অফিস সহায়কগণ সভার নোটিশ বিলি করতে গেলে অনেক সময় সভার সদস্যগণকে তারা পান না অথবা নোটিশ পেয়েও সদস্যগণ মনে রাখতে পারেন না। ফলে সভায় অনুপস্থিতির প্রবণতা দেখা যায়। অনেক সময় অনেক সদস্য নোটিশ না পাওয়ার অভিযোগ করেন। সভার নোটিশ সদস্যগণের মোবাইলে এস এম এস এর মাধ্যমে প্রেরণ করার ফলে খুব দ্রম্নত সময়ে সদস্যগণকে অবহিত করা যায় এবং যোগাযোগের ক্ষেত্রে ভুল বোঝাবুঝির অবসান হয়। উপরন্তু জারীকারকগণের সময় ও শ্রম বেঁচে যায়।

১। জারিকারকগণকে কষ্ট করে প্রত্যেক অফিসে যেতে হয় না। সময় বাঁচে।

২। অল্প সময়ের মধ্যে নোটিশ জারী করা সম্ভব হয়।

৩। জারী প্রতিবেদন প্রিন্ট করে নথিতে সংরÿণ করা যায়।

৪। সদস্যগণ সভায় উপস্থিত হতে পারেন।

৫। সভায় অনুপস্থিতির হার কমে যায়।

ইলেকট্রনিক পদ্ধতিতে সভার নোটিশ জারীকরণেরে এ ক্ষেত্রে সরকারি কোন বরাদ্দ না থাকায় জেলা প্রশাসনের স্থানীয় তহবিল হতে এ বিল পরিশোধ করা হয়।

০৩.

সরকারি অনুদান প্রাপ্তি সহজীকরণ 

জনাব মোছা: শারমিন ইসলাম

সহকারী কমিশনার (প্রাক্তণ)

সরকারি বিভিন্ন অনুদান যেমন- ত্রান তহবিলের চেক, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের চেক, ছাত্র-ছাত্রীদের উপবৃত্তির চেক, দুস্থ ও অসহায় মানুষের চেক জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে প্রাপ্তির সাথে সাথে সংশিস্নষ্ট ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানকে মোবাইলে এস এম এস এর মাধ্যমে বা পত্রের মাধ্যমে তাদের চেক পেতে কি কি প্রয়োজনীয় কাগজপত্র লাগবে তা জানিয়ে দিয়ে তারিখ ও সময় নির্ধারণ করে প্রাপককে অফিসে আসতে অনুরোধ করা হয়। প্রাপক প্রয়োজনীয় কাগজপত্র নিয়ে যেদিন আসেন, সেদিনই তাদেরকে চেক দিয়ে দেয়া হয়। আগে উক্ত চেক পেতে ২/৩ দিন অফিসে আসতে হতো। বরাদ্দ এসেছে কি না তা জানতে একদিন, প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দিতে একদিন ও চেক গ্রহণ করতে আরো একদিন সময় লাগত। এখন তিনদিনের স্থলে একদিনেই সে চেক গ্রহণ করতে পারেন।

১। চেক প্রাপকের সময় অর্থ ও শ্রম বেঁচে যায়।

২। হয়রানী কমে যায়।

৩। কোন দালালের সহায়তা লাগে না এবং দুর্নীতি কমে যায়।

সরকারি কোন বরাদ্দ না থাকায় জেলা প্রশাসনের স্থানীয় তহবিল থেকে এস এম এস এর বিল পরিশোধ করতে হয়।

০৪.

ডিমের চাহিদা বৃদ্ধি 

জনাব মো. হামিদুল হক

জেলা প্রশাসক, ঝালকাঠি 

জাতীয় ডিম দিবসে পোল্ট্রি ব্যবসায়ীগণের সাথে  জেলা প্রশাসকের মত বিনিময় হয়।  সেখানে  পোল্ট্রি ব্যবসায়ীগণ জানান  যে, বাজারে  ডিমের চাহিদা কম থাকায় তারা আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছেন। এ বিষয়টি জেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তাও সমর্থন করেন।  এ  প্রেক্ষিতে  জেলা প্রশাসক জাতীয় দিবসসহ সকল দিবসের র‌্যালি, বিভিন্ন সভা সমাবেশ, অনুষ্ঠানে আগত ছাত্র/ছাত্রী ও অংশগ্রহণকারীদের আপ্যায়নে নাস্তার  মেন্যুতে সিদ্ধ ডিম সংযোজন করেন। এর ফলে স্থানীয় বাজারে ডিমের চাহিদা বেড়েছে এবং ব্যবসায়িরা লাভের মুখ  দেখছেন  সেই সাথে ছাত্র-ছাত্রীদের প্রোটিন এর চাহিদা পূরণ করাও সম্ভব হচ্ছে।

১। পোল্ট্রি ব্যবসা সম্প্রসারিত হচেছ।

২। কর্মসংস্থান বাড়ছে।

৩। ছাত্র/ছাত্রীদের পুষ্টি চাহিদা মিটছে।

--

০৫.

ল্যান্ড ইনফো সেন্টার

জনাব মোঃ আতাহার মিয়া

সহকারী কমিশনার (ভূমি) (প্রাক্তণ), ঝালকাঠি সদর

বর্তমানে উপজেলা নির্বাহী অফিসার, ঝালকাঠি সদর

 

উপজেলা ভূমি অফিসে অনেক সেবা গ্রহীতাকে কাজের জন্য আসতে হয়। কিন্তু ভূমি সংক্রামত্ম সেবা অনেক সময় সাথে সাথে দেওয়া সম্ভব হয় না। যেমন- নামজারী, খতিয়ান উত্তোলন ও অন্যান্য ভূমি সেবা পেতে এসে সময় লাগে। এ সকল সমস্যার সমাধানসহ তাদের প্রয়োজনীয় ফরম পূরণ ও অন্যান্য কাগজপত্র পূরণসহ তথ্য প্রদানের জন্য ল্যান্ড ইনফো সেন্টারে একজন কর্মচারী নিয়োজিত থাকেন। এছাড়া যাদের কাজ ঐ দিনে সম্পন্ন করা যায় না তাদেরকে একটি মোবাইল নম্বর দেওয়া হয়। সেবা গ্রহীতা উক্ত মোবাইলেফোন করে কাজের অগ্রগতি জানতে পারেন। কাজ সম্পন্ন হলে সেবা গ্রহীতাকে নির্ধারিত তারিখে আসতে বলা হয়। তিনি এ সকল সমস্যার সমাধান দিয়ে থাকেন।

১। জন হয়নারী  কমে  গেছে।

২। সেবা গ্রহীতাকে বার বার অফিসে আসতে হয় না।

৩। সেবা গ্রহিতার আর্থিক খরচ, শারিরীক শ্রম কমে গেছে।

৪। সেবা গ্রহীতা নিজেকে অর্থ ও উৎপাদনশীল কাজে নিয়োজিত রাখতে পারেন।

জনবল কম থাকার কারণে উক্ত কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে পরিচালনা করতে সহকারী কমিশনার নানা প্রতিবন্ধকতায় পড়তে হয়। 

০৬.

ভাসমান বীজতলা তৈরী

জনাব আবু বকর সিদ্দিক

উপপরিচালক (প্রাক্তণ)

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর, ঝালকাঠি

 

ঝালকাঠি একটি বৃষ্টি প্রবণ, বর্ষা প্রবণ ও জোয়ার ভাটা প্রবণ জেলা। বর্ষা মৌসুমসহ অন্যান্য মৌসুমে কৃষকগণ শাক সবজি উৎপাদন করতে নানা ধরণের সমস্যার সম্মুখিন হন। ফলে এ জেলার মাটি সবজি উৎপাদনের জন্য কৃষকদের জন্য খুব কঠিন হয়ে পড়ে। তাই বছরের সব মৌসুমে কচুরীপানা, টোপাপানা, শেওলা, বিভিন্ন ধরণের জলজ আগাছা, ধানের খর বা ফসলের অবশিষ্টাংশ  আখের ছোবড়া ব্যবহার করে ভাসমানবেড় তৈরি করা হয়। এতে  করে বিষমুক্ত সবজী চাষ করা সম্ভব হয়।

১। জাতীয় উৎপদান বৃদ্ধি পায়।

২। বাজারমূল্য বেশী পাওয়া যায়।

৩। সারা বছর চাষ করা যায়।

৪। একই জায়গায় মাছ ও সবজী চাষ করা যায়।

৫। গরম্ন ছাগলের নষ্ট করার ভয় থাকে না।

৬। ভাসমান বেডে মসল ও সবজী পাশাপাশি চাষ করা যায়।

কৃষকদের বেশি পরিশ্রম করতে হয় এবং উৎপাদন খরচ কিছুটা বৃদ্ধি পায়।

০৭.

এস এম এস এর মাধ্যমে গ্রাহকের মোবাইলে বিলের তথ্য প্রেরণ

প্রকৌ: মোঃ এমদাদুল হক

জেনারেল ম্যানেজার  (প্রাক্তণ)

পলস্নী বিদ্যুৎ সমিতি, ঝালকাঠি

গ্রাহকগণ প্রতি মাসে বিল প্রস্ত্ততের সাথে সাথে এসএমএস এর মাধ্যমে বিলের তথ্য জানতে পারেন। ফলে গ্রাহকগণ তাৎক্ষনিক বিকাশ/টেলিটকের মাধ্যমে বিল পরিশোধ করতে পারেন। বিলে কোনরূপ অসংগতি দেখা দিলে অফিসে এসে যোগাযোগ করতে পারেন এবং গ্রাহকগণকে জরম্নরী অন্যান্য তথ্য এর মাধ্যমে প্রদান করা হয়।

১। জনহয়রানী কম হয়।

২। গ্রাহকের সময় ও শ্রম বাঁচে।

৩। গ্রাহকের সন্তুষ্টি বৃদ্ধি পায়।

নাই

০৮.

স্পট মিটারিং কার্যক্রম

প্রকৌ: মোঃ এমদাদুল হক

জেনারেল ম্যানেজার

পলস্নী বিদ্যুৎ সমিতি, ঝালকাঠি

গ্রাহকের বাড়ীতে গিয়ে তাৎক্ষনিক সকল কার্যক্রম সম্পন্ন করে বিদ্যুৎ সংযোগ প্রদান করা হয়। গ্রাহকগণ ০১ দিনে বিদ্যুৎ সংযোগের সুবিধা পান। গ্রাহকের সময়, অর্থ ও শ্রম সাশ্রয় হয়।

১। জনহয়রানী কম হয়।

২। গ্রাহকের সময় ও শ্রম বাঁচে।

৩। গ্রাহকের সন্তুষ্টি বৃদ্ধি পায়।

নাই

০৯.

সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তন আনার জন্য ‘বিভিন্ন ট্রেডের প্রশিÿণ কার্যক্রমকে’ উপজেলার প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের পরিবর্তে মাঠ পর্যায়ে প্রশিক্ষণ প্রদান।

উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা রাজাপুর

 

অনেক ক্ষেত্রে ইউনিয়ন পর্যায়ের মহিলাগণ উপজেলায় এসে প্রশিক্ষণ গ্রহণ করতে পারিবারিক, সামাজিক ও অর্থনৈতিকভাবে নানা ধরণের সমস্যার সম্মুখিন হন। তাই উপজেলার পরিবর্তে মাঠ পর্যায়ে গিয়ে বিভিন্ন সংগঠনের মাধ্যমে মহিলাদের বিভিন্ন ট্রেডে প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়।  এ প্রশিক্ষণ প্রদান করে মহিলাদের দÿ করে গড়ে তোলা এবং আত্মনির্ভরশীল করা হয়।

১। একজন নারী কোন অর্থ ব্যয় বা পরিবারের সময় নষ্ট না করে বিনামূলে আয়বর্ধন প্রশিক্ষণ পায়।

২। তার সামাজিক বা পারিবারিক অবস্থানে কোন সমস্যা সৃষ্টি হচ্ছে না।

৩। স্থানীয় পর্যায়ে নারী উদ্যোক্তা এবং কর্মসংস্থানের সৃষ্টি হচ্ছে।

             

প্রশিক্ষককের প্রশিক্ষণ ভাতা না থাকায় প্রশিক্ষণ প্রদান কিছুটা কষ্টসাধ্য হয়।

ছবি


সংযুক্তি


সংযুক্তি (একাধিক)



Share with :

Facebook Twitter